Pages

Friday, 3 February 2012

রাখালের কলাম--যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ক্ষিপ্ত জামাত, বেজার কিছু বামপন্থী

রাখালের কলাম----
যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ক্ষিপ্ত জামাতবেজার কিছু বামপন্থী



      গত ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকা শহর ছিল মিছিলের শহর দুপুর গড়াইবার পর লাখো মানুষ শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড হইতে মিছিল সহকারে বাহির হইয়া আসে মিছিলের দাবি ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কর, ফাঁসি দাও’, ‘জামাত শিবির রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’ ‘রাজাকারদের পক্ষে মার্কিন চক্রান্ত রুখো’, ‘সৌদি আরবের চাপ প্রতিহত কর’ ‘মার্কিন দালালরা হুশিয়ারইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধের স্লোগানগুলি পুনরায় উচ্চারিত হইয়াছে আগামী ৭ জানুয়ারি জেলা সদর এবং ১১ জানুয়ারি উপজেলা পর্যায়ে অনুরূপ মিছিল সমাবেশ করিবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হইয়াছে

সিপিবি, ১৪ দল সহ বিভিন্ন দল, গণসংগঠন ও সামাজিক সংগঠন এই কর্মসূচিতে শরীক হইয়াছিল জামাত শিবির যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভ এবং মুক্তিযুদ্ধের তীব্র আবেগের বহিঃপ্রকাশ জামাতীদের সেদিন ঘরে ঢুকিতে বাধ্য করিয়াছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দীর্ঘদিন ধরিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য চাপ দিতেছিল গত এপ্রিল হইতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যুগপৎভাবে সভা সমাবেশ মিছিল করার প্রস্তাব দিয়া আসিতেছিল গতবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করে নাই বরং তাহাদের কিছু নেতা, উপদেষ্টা, মন্ত্রী এতদিন পরে যুদ্ধাপরাধী বিচার করার বাস্তবতা নাই বলিয়া বক্তব্য দিয়াছিলেন সিপিবি এবং অন্যান্য কিছু সংগঠন তখনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিল এইবার ক্ষমতায় আসিয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিচার শুরু করিলেও সরকারের মধ্যে নানা দ্বিধা দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা যাইতেছে

সড়ক দুর্ঘটনা, যানজট ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নৈরাজ্য

সড়ক দুর্ঘটনা, যানজট ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নৈরাজ্য
মনজুরুল আহসান খান

সম্প্রতি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ এবং মিশুক মুনীরসহ কয়েকজনের সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মানুষকে সড়ক পথের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপকভাবে আলোড়িত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এ সময় কালে চট্টগ্রাম ও অন্যান্য কিছু জায়গায় চাঞ্চল্যকর সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দুর্ঘটনার যে বিবরণ পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তা থেকে মনে হয় এসব দুর্ঘটনা হয়তো এড়ানো যেত। সড়ক পথে সাধারণ কতগুলি নিয়মকানুন আইন মেনে চললে হয়তো এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটত না। গাড়ি চললে কিছু দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে কিন্তু সেটা যদি দুর্ঘটনা বা এক্সিডেন্ট না হয়ে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়, যদি সংশ্লিষ্টদের চরম অবহেলার কারণে এমন ঘটে তা হলে সেগুলিকে হত্যাকাণ্ড বলাই হয়ত সঠিক হবে।
অনেকেই এখন এসব দুর্ঘটনার কারণ, প্রতিকারের উপায়, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপর্যয় এসব নিয়ে আলোচনা করছেন। অতীতেও বিভিন্ন দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনার ঝড় বয়ে গেছে। সরকার কিছু হুঙ্কার দিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সব কিছু স্তিমিত হয়ে এসেছে। পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকেই গেছে।
অভিজ্ঞতায় দেখেছি সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কোন একটা সমস্যাকে বড় করে দেখে সেটার সমাধানের উপর জোর দেয়া হয়। দেশের অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে ও তাই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা বা সড়ক ব্যবস্থায় নৈরাজ্যেরও পেছনে কেবল একটি নয় আছে নানাবিধ কারণ এবং তাদের পারষ্পরিক সম্পর্ক। সেগুলি সামগ্রিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ না নিলে কেবলমাত্র দুই একটি পদক্ষেপ সমস্যার সমাধান দিতে পারবে না।
সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ড্রাইভারকে প্রধানত: দায়ী করা হয়। গাড়ি চালায়

Wednesday, 1 February 2012

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
মনজুরুল আহসান খান

বাংলাদেশের প্রায় সবাই বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে। সাধারণ মানুষও চায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হোক। সেই কারণে জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য বিভিন্ন দল ও নেতার প্রধান স্লোগান এটি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে বাস্তবে কি বোঝায় এবং কিভাবে তা প্রতিষ্ঠিত করা যাবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে অনেকেই তেমন কিছু বলেন না।

এইসব শব্দগুলি বাস্তব থেকে জন্ম নেয় কিন্তু নানা কারণে প্রায়শই এই শব্দগুলি বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ‘বাত কে বাতে’ পর্যবসিত হয়। স্লোগানটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়। গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এসব কথাও আজ এমন সব শক্তির জিগিরে পরিণত হয়েছে যারা এসব আদর্শের বড় শত্রু। সম্প্রতি উইকিলিকস

Tuesday, 31 January 2012

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আমাদের করণীয়


শেষ পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের নাটের গুরু জামায়াত নেতা গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেমুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের সহযোগী সংগঠন রাজাকার, আলবদর ও আল সামস্ বাহিনী ন্যূনতম মানবিকতাও দেখায় নিগোলাম আযম বাহিনী নারী শিশু বৃদ্ধ নির্বিশেষে লক্ষ মানুষকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছেনৃশংস দৈহিক নির্যাতন ও বর্বরতা চালিয়েছেগোলাম আযম বাহিনী যখন বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে যায় তখন তাদের স্ত্রী সন্তানদের সঙ্গেও কথা বলতে দেয় নি, কাপড় চোপড়ও সঙ্গে নিতে দেয় নি, বয়স ও অসুস্থতা বিবেচনা করে নি; চোখ, হাত পা বেঁধে অস্ত্র ঠেকিযে ধরে নিয়ে গেছেবুদ্ধিজীবিদের উপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়েছে এবং তাদের হাত পা, চোখ বেঁধে অসহায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছেলাশ কুকুর বিড়ালকে খাওয়াবার জন্য বধ্য ভূমিতে ফেলে দেয়া হয়েছেঐ সব নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের নায়ক গোলাম আযমকে মানবিকতার পরাকাষ্ঠা দেখান হয়েছে

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল গাড়ীতে নিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছেতার যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য হুইল চেয়ারে

২৭ জানুয়ারি সিপিবি’র ঢাকার জনসভায় মনজুর

প্রিয় কমরেডগণ, ভাই ও বোনেরা

বহুদিন পর পার্টির সারাদেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে আমরা ঢাকায় সমাবেশে মিলিত হয়েছি। ২০০১ সনে এই মাসেরই ২০ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে আমরা একত্রিত হয়ে ছিলাম। সেদিন হিমাংশু, মজিদ, মোক্তার, হাশেম ও বিপ্রদাস শহীদ হয়েছিল অনেকে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। ১১ বছর পার হয়ে গেল, সে হত্যাকাণ্ডের বিচার হয় নি। বিচার একদিন হবেই। ৪০ বছর পরও যুদ্ধাপরাধীরা পার পায় নি আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, পল্টন বোমা হামলার সাথে জড়িতদেরও বিচার হবে। কেউ রুখতে পারবে না। আমরা সিপিবি উদীচী-ছায়াটনসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করার দাবি জনাই সরকারের কাছে। বিচার করতে হবে রতন সেন, মানিক সাহা,

Wednesday, 27 July 2011

কমিউনিস্ট ও বামপন্থীদের কাছে ইতিহাসের দাবি

কমিউনিস্ট ও বামপন্থীদের কাছে ইতিহাসের দাবি
মনজুরুল আহসান খান

বাংলাদেশের পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হয়ে উঠছে। স্বাধীনতার চলি-শ বছরের মাথায় আওয়ামী মহাজোট মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার প্রশ্নে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আমাদের শত বছরের সংগ্রামের ধারায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, যা বিধৃত হয়েছিল ‘৭২-এর সংবিধানের ঘোষিত মূলনীতিতে, তাকে আজ বিকৃত করে স্থায়ী করা হয়েছে। দ্বিজাতিতত্ত্ব, সাম্প্রদায়িকতা, সাম্রাজ্যবাদী ও পুঁজিবাদী লুণ্ঠন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী গণ-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে সব মহান আদর্শ ও স্বপ্ন নিয়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করেছিলাম তা আজ ভূলুণ্ঠিত। শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের মহান আদর্শের প্রশ্নে শুধু পশ্চাদপসরণ করেন নাই, তিনি মুক্তিযুদ্ধের পতাকা গুটিয়ে নিয়ে জিয়ার রহমান ও এরশাদের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। তিনি সাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপরও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছেন।

অপরদিকে জনজীবনে আজ নাভিশ্বাস। বেকারত্ব, দারিদ্র ধন-বৈষম্য ও দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া সাধারণ মানুষের জীবন এলোমেলো করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের সঙ্কট বেড়ে চলেছে। ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাট, টেন্ডার-বাজী, চাঁদাবাজি, দলবাজি চরমে। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, সন্ত্রাস, যৌন নির্যাতন, দমন-পীড়ন, ক্রসফায়ার, নিষ্ঠুরতা, বর্বরতা জননিরাপত্তা ও শান্তি মারাত্মকভাবে ব্যাহত। অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহন সর্বক্ষেত্রে নীতি পদক্ষেপগুলি করছে মুষ্টিমেয় ধনিকদের স্বার্থে। ভিআইপি ও প্রাইভেট কারওয়ালাদের জন্য রাজধানী ঢাকাÑ এই চিন্তা থেকে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী, একের পর এক রাস্তায় রিক্সা

Gonotontro Ki Abaro Thomke Jabe

MYZš¿ wK Avev‡iv _g‡K hv‡e!
gbRyiæj Avnmvb Lvb
evsjv‡`‡ki RbMY `xN©w`b a‡i †h Av‡›`vjb msMÖvg K‡i G‡m‡Q Zv g~jZt MYZ‡š¿i msMÖvg| cvwK¯Ív‡bi Rb¥jMœ †_‡K gyw³hz× ch©šÍ cÖwZwU msMÖvgB wQj mvaviYfv‡e MYZvwš¿K| MYZš¿ ej‡Z ïay †fvUvwaKvi ev wbe©vPb bq; ivRbxwZ-ivóª I miKvi cwiPvjbv-A_©bxwZ-mgvRbxwZ-gZv`k© me©‡ÿ‡ÎB MYZ‡š¿i msMÖvg wQj we¯Í…Z| RbM‡Yi MYZvwš¿K ivq ev¯Íevqb I wbe©vwPZ miKvi‡K ÿgZvq †h‡Z †`qv nqwb e‡jB †kl ch©šÍ Avgv‡`i‡K mk¯¿ gyw³hy× Ki‡Z n‡q‡Q|
¯^vaxb evsjv‡`‡k GKwU MYZvwš¿K msweavb iwPZ n‡jI †kl ch©šÍ MYZvwš¿K cÖwµqv Ae¨vnZ _v‡Kwb| ¯^vaxb evsjv‡`‡kI MYZ‡š¿ii Rb¨ G‡`‡ki gvbyl‡K myKwVb msMÖvg Ki‡Z n‡q‡Q Ges GLbI Ki‡Z n‡”Q|
cvwK¯Ívwb Avg‡j MYZvwš¿K cÖwµqv evi evi ¯Íä K‡i †`qv n‡q‡Q| evi evi mvgwiK kvmb Rvwi Kiv n‡q‡Q| evsjv‡`‡ki Rb¥ MYZvwš¿K Av`k© wb‡q| evsjv‡`‡ki mvgwiK evwnbx I gyw³hy‡×i ga¨w`‡q M‡o D‡V‡Q| GiciI evsjv‡`‡ki ivRbxwZi eo Uª¨v‡RwW n‡”Q Avgiv GL‡bv cvwK¯Ívb Avg‡ji mvgwiK n¯Í‡ÿ‡ci ms¯‹…wZ †_‡K †ewo‡q Avm‡Z cvwiwb| G †`‡k G‡Ki ci GK mdj I wedj mvgwiK Afz¨Ìvb msMwVZ n‡q‡Q| `yÕRb ivóªcwZ I ivR‰bwZK †bZ…e„›` wbôzi nZ¨vKv‡Ði wkKvi n‡q‡Qb Ges kZ kZ †mbv m`m¨ I Kg©KZ©v wbnZ n‡q‡Qb ev duvwmKv‡ó Rxeb w`‡q‡Qb|