Monday, 3 December 2012

European Seminar organised by ICOR (Europe) and MLPD Speech by Manzurul Ahsan Khan.

Comrade President,
Dear Comrades and friends,

I bring you militant greetings from Bangladesh, a country of 160 million people who fought a glorious armed struggle and achieved their independence in 1971 after a blood ba

th.

Capitalism and its crisis is not only the characteristic of Europe, western world or North America. The crisis is quite visible and some times more in its sharpness in the east, in countries like Bangladesh. In this globalised world ,capitalism and imperialism has to be evaluated as an integrated world system as a whole along with the countries of Asia, Africa and Latin America.

Almost half of the population of Bangladesh live below poverty level, more than 3,5 million are unemployed, illiteracy is above 40% and about the same number of people hardly have any access to primary medical care.
Structural reforms and whole sale privatisation initiated by the so called “donors” like USA,World Bank and IMF in the 80’s resulted in the closure of thousands of industries leading to loss of employment of hundreds of thousands of workers and employees.
World’s biggest jute textile mill, The Adamjee Jute Mills employing more than 40,000 workers was shut down. The working class of Bangladesh vigorously fought against those anti worker and de-industrialisation policies. Only on one occasion 19 workers were killed when police fired bullets on a demonstration.
In the recent decades apparel or ready made garment industries have been flourishing which now earns the highest foreign currency in the productive sector. This sector now employs about 4.5 million mostly young, 80% being women. The workers minimum monthly wage is barely 30 Euro, per month. Most workers are deprived of job security, safety at work places and rights and benefits even ensured by the labour laws and ILO conventions, ratified by the government. Garment workers are not allowed to form Trade Unions despite rights guaranteed by law. Any attempt to form Trade Unions or to organise peaceful movement is suppressed brutally by the employers and the police.Despite all the atrocities the Bangladesh has witnessed numerous militant movements,demonstrations,strikes,revolts,occupations and uprisings of garment workers who have emerged as a militant and leading contingent of the working class of Bangladesh. In these movements many workers were killed and injured, many leaders and activists arrested and physically tortured, and thousands were dismissed and forcibly evicted from homes where they used to live.
Communists play a vital role in the working class movements particularly the movements of garment workers. It is the task of the communists to advance the movement of garment workers from spontaneity and develop organised and consolidated revolutionary trade union movements, improve the class consciousness and ideological moorings while continuously fighting against petty bourgeois reformism, class collaboration and opportunism and also left adventurism.

Today Bangladesh is in the focus of US strategy in the region. USA has announced shifting of its major naval power to Asia Pacific region. Besides dictating our economy in their interest USA has entangled Bangladesh in many secret agreements allowing its army to enter and carry on activities with immunity in Bangladesh and also to monitor vital activities through different agencies. Presently US military units are in Bangladesh in the name of Special Forces Assistance Teams and Humanitarian Assistance.
The imperialists, the Marines or the Multinationals do not come to Bangladesh by way of aggression but by cordial invitation of the bourgeois governments. They plunder our gas,oil,coal,electricity and natural resources. We buy our gas extracted by foreign companies at a price, which is 31 times higher than that of our national companies.
Communist Party of Bangladesh along with other left parties united in a broad national platform and continue to organise huge mass struggles which made significant achievements. Our struggle could foil plans of the rulers to export gas,despite meagre proven reserve,lease out our main port Chittagong to a US company, and extraction of coal by a British company “Asia Energy” at through away price, and which would cause displacement of about one hundred thousand people from the area and cause environmental catastrophe. In these struggles several people died and many were injured, arrested and physically tortured. The movement still continues against the plunder of our resources.

41 years of independent Bangladesh has proved beyond doubt that the bourgeoisie is unable to solve the fundamental crisis before the country and the people. Neither can they fulfil the dreams of millions of martyrs who laid down their lives for a society advancing towards Socialism,enshrined in our constitution. There has been many changes of power and governments but there was no basic change in peoples life.It is because with all the governments the policies were always pro capitalist, pro imperialist and pro rich. Changes were as people say between Coca –cola and Pepsi-cola parties, both made in America,for the rich and plunderers.
Our party is doing everything to build up Communist, Left and Democratic alternative opposed to those Coke and Pepsi parties. We fight for an alternative mass struggle capable of capturing power and advance along the path of Revolutionary Democratic Change and Socialism.
The global aggression of capital is pushing us to a situation when we have either to advance towards a revolutionary path or face fascistic rule and disastrous consequences.
To liberate mankind and nature we need an International Socialist Revolution. We need global discussions but also global action-concrete actions involving working class, toiling people and all the oppressed,deprived and exploited.

Long live Socialism.
Long live Marxism Leninism and Proletarian Internationalism.


Speech by Manzurul Ahsan Khan.
Adviser to the Central Committee, Communist Party of Bangladesh.
European Seminar organised by ICOR (Europe) and MLPD

Dortmund, Germany 02/11/2012

Friday, 22 June 2012

গার্মেন্ট মালিকদের ধর্মঘট


১৭ জুন থেকে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঢাকার পাশের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে তাদের সেক্টরের সব কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে, প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে যে অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছিল, জ্বালাও-পোড়াও-ভাঙ্গচুর চলছিল, শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দিচ্ছিল; তারই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে শ্রম আইনের ১৩(১) ধারায় কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দিন দশক ধরে আশুলিয়ার অশান্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু কিছু কারখানায় উৎপাদন কম-বেশি অব্যাহত ছিল। বর্তমানে সবই বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে তিনশ’র বেশি কারখানার কয়েক লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বেতন-ভাতা ছাড়া নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। মালিকরাও বিপুল লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছেন। বিদেশি ক্রেতারাও তাদের অর্ডার বাতিল করতে শুরু করেছেন। এলাকার দোকানপাট, ব্যবসা-বাণিজ্যেও অচলাবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।<

আশুলিয়ার এই ঘটনার ধাক্কা অন্যান্য শিল্প এলাকায় এসে লাগছে এমন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।

গার্মেন্ট সেক্টরে বর্তমান সঙ্কটের পেছনে শুধু একটি নয়, বেশ কিছু কারণ আছে। সেই কারণগুলো বোঝা দরকার। কারণগুলো দূর করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিতে না পারলে ঘুরে-ফিরে সঙ্কটের আবর্তেই ঘুরতে থাকবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প সেক্টর। শিল্পখাতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পে চল্লিশ লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন।

Monday, 21 May 2012

পথে এবার নামো সাথী পথে হবে পথ চেনা

দীর্ঘ দিন ধরেই রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। বস্তুতঃ মুক্তিযুদ্ধের পরই এই সঙ্কট কম বেশি বিদ্যমান। সঙ্কট ক্রমেই তীব্র ও জটিল হচ্ছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে বুর্জোয়া রাজনীতির ব্যর্থতা। ধনিক শ্রেণীর বিশেষত লুটেরা ধনিক শ্রেণীই এই সঙ্কটের জন্য দায়ি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বে ছিল মধ্যস্তরের জনগণ। শ্রমিক-কৃষক-সাধারণ মানুষ ও ব্যাপক জনগণ এই যুদ্ধে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মধ্যবিত্তের একাংশ নব্য ধনিকে পরিণত হয়। এদের অধিকাংশ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে ঘুষ, দুর্নীতি, লুটপাট, বিদেশি ঋণ সাহায্য লোপাট, চোরাচালান, কালোবাজারি, ফটকাবাজারী ইত্যাদির মাধ্যমে বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক হয়। শাসক শ্রেণির মধ্যে এই লুটেরা শ্রেণীরই প্রাধান্য বা নেতৃত্ব। এই লুটেরা শ্রেণী বেপরোয়া অস্থির। গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা বা কোন সিস্টেম এদের ধাতে সয় না। ডাকাতদেরও মধ্যে একটা নিয়ম থাকে , লুটেরারা কোন নিয়ম শৃঙ্খলা মানে না। নিজেদের করা নিয়ম রীতি তারা লঙ্ঘন করে। তোরা যে যা বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই’। নিয়ম যাই থাকুক না কেন, আমার টাকা চাই, ক্ষমতা চাই । আইন-বিধান-নিয়ম হবে ক্ষমতা বান্ধব নিজেদের স্বার্থ রক্ষার হাতিয়াড়। ক্ষমতায় থাকা বা যাওয়ার জন্য আইন বিধি যা করার করতে হবে। প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তবর্তীকালীন সরকার অথবা জাতীয় সরকার কিম্বা সেনা সমর্থিত সুশীল বা কুশীল সরকার যাই হোক একটা কিছু চাই। কয়েক যুগ ধরেই ধনিক শ্রেণি দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। কোনোভাবেই তারা দেশ চালাতে পারছে না। মূমুর্ষ ব্যাধিগ্রস্তর মতো একবার চিত হয়ে আরেকবার কাত হয়ে বা উপুড় হয়ে কোনোভাবেই তারা স্বস্তি পায় না। পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা, রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি, বহুদলীয় ব্যবস্থা , একদলীয় ব্যবস্থা, সামরিক শাসন অথবা সেনাসমর্থিত সরকার এমনি হরেক রকম এক্সপেরিমেন্টের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবুও উপায় নেই গোলাম হোসেন! নিস্তার নেই এই সঙ্কট থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক পেক্ষাপটে আজকের যে ধনীক শ্রেণী। তার ললাটে লেখা আছে এমনি সঙ্কট এবং অস্থিরতা। এই সঙ্কট সমাধান করতে তারা অক্ষম ।রাজনীতির হাল যতদিন এই ধনীক শ্রেণীর হাতে থাকবে ততোদিন কম-বেশি এই সঙ্কটের আবর্তেই দেশ ঘুরপাক খেতে থাকবে ।এই সঙ্কটের পাপ চক্র থেকে মুক্তি দিতে পারে শ্রেণীগতভাবে একমাত্র শ্রমিক শ্রেণি ও মেহনতি মানুষ । শ্রমিক-কৃষক-ক্ষেতমজুর,প্রগতিশীল ছাত্র ও যুব সমাজ, র্যাডিক্যাল বুদ্ধিজীবী ছাড়াও, তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধি কমিউনিস্ট ও বামপন্থীরা । ধনীক শ্রেণীর মধ্যে উৎপাদনশীল ও উদ্দ্যোক্তাদের মধ্যে সমাজ অর্থনীতির বিকাশের বর্তমান পর্যায়ে, যে ইতিবাচক প্রবনতা আছে তাতে তাদের কোন অংশ শক্র ,মিত্র বা নিরপেক্ষ থাকবে কি না তা নিয়ে অনেক তর্ক আছে। কিন্তু বামপন্থীরা প্রথমে নিজেরা ঐক্যবদ্ধ হওয়া এই মুহূর্তের সবচেয়ে জরুরি কর্তব্য সে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই ।

Friday, 2 March 2012

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহতের বিরুদ্ধে দরকার জাতীয় ঐকমত্য ও গণপ্রতিরোধ

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহতের বিরুদ্ধে দরকার জাতীয় ঐকমত্য ও গণপ্রতিরোধ

একতা সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মনজুর


একতা প্রতিবেদক : সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাপ্তাহিক একতার সঙ্গে মতামত ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি সভাপতি মনজুরুল আহসান খান। আলোচনায় মনজুর দেশের বর্তমান রাজনীতি কী সংঘাতের দিকে যাচ্ছে-এমন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এখন তো নানাদিক থেকেই একটা সংঘাতময় অবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মনে হয়। জামায়াত ইসলামী তো অন্যান্য মৌলবাদী গোপন ও সশস্ত্র দল ও গ্রুপের সাথে একজোট হয়ে তাদের অপতৎপরতা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে বোমাবাজি এবং কমান্ডো ধরনের হামলার মূল হোতাও জামায়াত। তারা বিএনপি’র ঘাড়ে সাওয়ার হয়েছে। পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মধ্যে শক্তিশালী মহল নানা অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মনজুর।

এই সংঘাত এড়াবার কী কোনো সম্ভাবনা দেখেন কীনা জানতে চাইলে মনজুর বলেন, বিএনপি’র ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের সময় দেখেছি অনেক বাকযুদ্ধ এবং হুমকি-ধামকি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তা মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। আগামী ১২ মার্চ ঢাকায় বিএনপি মহাসমাবেশ ডেকেছে। একই দিন সরকারি দল আওয়ামী লীগও কর্মসূচি দিয়েছে। এ নিয়ে অনেক উত্তেজনাকর এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য উভয়পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে। প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক, আওয়ামী লীগ কি কর্মসূচি দেওয়ার আর কোনো তারিখ পায় নাই? কর্মসূচি ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের নেতারা বলে আসছিলেন, বিএনপিকে ঢাকা শহরের প্রবেশ মুখেই আটকে দেওয়া হবে। এটা কোনো গণতন্ত্রের ভাষা হতে পারে না। তবে কয়েকদিন বাকযুদ্ধের পর এখন সরকারি দলের

Thursday, 16 February 2012

Recent events in the army and future of democracy

     Recent events in the army and future of democracy 

        The Bangladesh Army briefing on January 19, 2012 disclosing the foiled coup attempt has clarified some of the confusion among the people. Media and the internet were rife with rumours and misinformation. The people are relieved to know that the attempt to disrupt the democratic process had been foiled and that the army is determined to firmly resist such attempts.

The briefing also mentioned that various forces had been making attempts to ride piggyback on the army — a patriotic state force — to destroy democracy. In the past, different forces banked on the army, a victorious product of the Liberation War to create disorder and gain political advantage. Sometimes they succeeded and on some occasions they failed. Our army has been carrying the burden of disrepute such negative forces had earned in the past in their attempt to take over political power.

During the 24 years of Pakistan rule, the people of Bangladesh fought relentlessly against autocracy and military dictatorship. The birth of Bangladesh was also largely due to the failure of the military dictatorship to accept the democratic verdict of the people. No doubt at times

Friday, 3 February 2012

রাখালের কলাম--যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ক্ষিপ্ত জামাত, বেজার কিছু বামপন্থী

রাখালের কলাম----
যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ক্ষিপ্ত জামাতবেজার কিছু বামপন্থী



      গত ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ঢাকা শহর ছিল মিছিলের শহর দুপুর গড়াইবার পর লাখো মানুষ শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড হইতে মিছিল সহকারে বাহির হইয়া আসে মিছিলের দাবি ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কর, ফাঁসি দাও’, ‘জামাত শিবির রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’ ‘রাজাকারদের পক্ষে মার্কিন চক্রান্ত রুখো’, ‘সৌদি আরবের চাপ প্রতিহত কর’ ‘মার্কিন দালালরা হুশিয়ারইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধের স্লোগানগুলি পুনরায় উচ্চারিত হইয়াছে আগামী ৭ জানুয়ারি জেলা সদর এবং ১১ জানুয়ারি উপজেলা পর্যায়ে অনুরূপ মিছিল সমাবেশ করিবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হইয়াছে

সিপিবি, ১৪ দল সহ বিভিন্ন দল, গণসংগঠন ও সামাজিক সংগঠন এই কর্মসূচিতে শরীক হইয়াছিল জামাত শিবির যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভ এবং মুক্তিযুদ্ধের তীব্র আবেগের বহিঃপ্রকাশ জামাতীদের সেদিন ঘরে ঢুকিতে বাধ্য করিয়াছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দীর্ঘদিন ধরিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য চাপ দিতেছিল গত এপ্রিল হইতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যুগপৎভাবে সভা সমাবেশ মিছিল করার প্রস্তাব দিয়া আসিতেছিল গতবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করে নাই বরং তাহাদের কিছু নেতা, উপদেষ্টা, মন্ত্রী এতদিন পরে যুদ্ধাপরাধী বিচার করার বাস্তবতা নাই বলিয়া বক্তব্য দিয়াছিলেন সিপিবি এবং অন্যান্য কিছু সংগঠন তখনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিল এইবার ক্ষমতায় আসিয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিচার শুরু করিলেও সরকারের মধ্যে নানা দ্বিধা দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা যাইতেছে